চর্ম ও যৌন রোগ, স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ

নাসিকা বা নাক

নাসিকা বা নাক

নোস বা নাক বা নাসিকা প্রধাণত শ্বাস অঙ্গ । এছাড়াও এটি ঘ্রানান্দ্রিয় হিসেবে কাজ করে।

এর অংশ সমূহ

 

গঠন

বহ্যিক নাসিকা (এক্সটার্নাল ন্যারিস) – এই অংশটির স্কেলেটাল ফ্রেমওয়ার্ক (কংকাল তান্ত্রিক গঠন) আছে যা আংশিক ভাবে বোন (অস্থি ) দ্বারা এবং আংশিক কার্টিলেজ (তরুনাস্থি) দ্বারা তৈরি।

০ ন্যাজাল বোন (অস্থি)।

০ কার্টিলেজ (তরুনাস্থি)।

সুপেরিয়র ন্যাজাল কার্টিলেজ (উর্দ্ধ নাসিকা তরুনাস্থি)।

ইনফেরিয়র ন্যাজাল কার্টিলেজ (নিম্ন নাসিকা তরুনাস্থি)।

ন্যাজাল সেপটাম (নাসিকা বিভাজক )।

০ ন্যাজাল অরিফিস (নাসিকা রন্ধ্র)।

 

ন্যাসাল ক্যাভিটি বা নাসিকা গহবর

০ বিস্তার: নাসিকা রন্ধ্র হতে নেসোফ্যারিনক্স পর্যন্ত।

০ অংশ: নাসিকা বিভাজক দ্বারা ডান ও বাম এই দুই অংশে বিভক্ত।

প্রতিটি অংশে রয়েছে

মেঝে।

ছাদ।

আভ্যন্তরিন গহবর ।

এ পার্শ্ব দেয়াল (লেটারাল ওয়াল)-এ তিনটি বিবর্ধণ রয়েছে যাদের কনকা বা টার্বিনেট নামে অভিহিত করা হয়।

০ সুপেরিয়র বা উৰ্দ্ধ টারবিনেট ।

০ মিডল বা মধ্য টারবিনেট।

০ ইনফেরিয়র বা নিম্ন টারবিনেট।

অলফেক্টরি মিউকাস (ঘ্রাণ ঝিল্লি)।

 

নাকের অভ্যন্তরে মিউকাস মেমব্রেন এর স্তর রয়েছে। এছাড়াও এখানে কিছু হেয়ার ফলিকলও দেখতে পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *