লিভার ও গলব্লাডার রোগ, স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ

লিভার ফোড়া হওয়ার কারণ ও সকল পদ্ধতির ডাক্তারদের বক্তব্য।

Liver abscess treatment and all the procedures of the doctors.

এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা নামক এক ধরনের প্রোটোজোয়া দিয়ে লিভারে ফোঁড়া হয়। দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে জীবাণুটি শরীরে প্রবেশ করে এবং অন্ত্র থেকে রক্তের মাধ্যমে লিভার বা যকৃতে যেয়ে এবসেস বা ফোঁড়া উতপন্ন করে।

১. পায়োজেনিক লিভার এবসেস

কারণ : অজানা।

কাদের বেশি হয়:

১. বৃদ্ধ মানুষ।

২. ডায়াবেটিস রোগী।

৩. রোগ প্রতিষেধক ক্ষমতা লোপ পাওয়া ব্যক্তি।

উপসর্গ সমূহঃ

১. পেটে ব্যথা

২. ক্ষুধামন্দা

৩. জ্বর

৪. শরীরে অবসন্ন ভাব।

রোগ নির্ণয় পদ্ধতি: আন্ট্রাসাউন্ড ও সিটিস্ক্যান।

২. এমিবিক লিভার এবসেস

আমাশয় আক্রান্ত রোগীরা সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত হয়। দূষিত পানি ও খাবার দ্বারা এই রোগ ছড়ায়। এন্টোমিবা হিস্টোলাইটিকা পরজীবী জীবাণু এই রোগের কারণ।

উপসর্গ সমূহঃ

১. পেটের উপরের ডানদিকে ব্যথা।

২. জ্বর

৩. ঘাম হওয়া

৪. কাঁপুনি

৫. অস্বস্তি

৬. বমিভাব, বমি ইত্যাদি।

রোগ নির্ণয় পদ্ধতি: রক্ত পরীক্ষা, আল্টাসনোগ্রাম, লিভার ফাংশন টেস্ট, সিটি স্ক্যান।

এমিবিক লিভার এবসেস কখনো কখনো ফেটে যেতে পারে। পুঁজ ছড়িয়ে যেতে পারে পেটের পেরিটোনিয়ামে, ফুসফুসের প্লুরা হার্ট ও পেরিকার্ডিয়ামে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *