মানসিক রোগ, স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায় ও সকল পদ্ধতির ডাক্তারদের বক্তব্য।

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায়

ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা

ডিপ্রেশন (depression) একটি সিন্ড্রোম যার বৈশিষ্ট্য হলো দুর্বল মানসিক অবস্থা, চিত্তানুভুতির অভাব, শারিরীক শক্তি কমে যাওয়া এবং ক্ষুধা, ঘুম ও যৌনাকাঙ্খয় পরিবর্তন। বাংলায় একে “বিষন্নতা’ বলা হয়।

 

ডিপ্রেশন এর কারণ 

কারণ সঠিক কারণ জানা যায়নি তবে নিম্নলিখিত প্রভাবক সমূহ দায়ী হতে পারে

১. বংশগত প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।

২. দৈহিক গঠন: অতিরিক্ত স্কুল ও দুর্বল শারিরীক গঠন।

৩. মানসিক চাপ

৪. কিছু শারিরীক রোগ: ভাইরাল ডিজিজ, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, এনিমিয়া,

কার্সিনোমা, মিক্সিডিমা ইত্যাদি।

 

ডিপ্রেশন এর ক্লিনিক্যাল ফিচার

সাইকোলজিক্যাল (মানসিক)

১. দুর্বল মানসিক অবস্থা,

২. আত্নবিশ্বাসের ঘাটতি।

৩. হতাশা

৪. অপরাধবোধ।

৫. কৌতুহল কমে যাওয়া।

৬. চিত্তানুভুতির অভাব

৭. যৌনাকাঙ্খহ্রাস পাওয়া

৮. আত্নহত্যার চিন্তা করা।

 

 

 

 

শারিরীক

১. ক্ষুধা কমে যায়।

২. ওজনে পরিবর্তন

৩. ঘুম কমে যায়

৪. মলত্যাগ সংক্রান্ত সমস্যা।

৫. ক্লান্তি।

৬. পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রি-মেচিউর ইজাকুলেশন (নারী সহবাসের সময় দ্রুত বীর্যক্ষলন)

 

ডিপ্রেশনের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের নিকট

প্রেরণ করতে হবে। নতুন

 

এংজাইটি নিউরোসিস

 

এংজাইটি নিউরোসিস (anxiety neurosis) হলো সাইকোনিউরোসিস এর সচরাচর ধরন যার বৈশিষ্ট্য হলো মনোযোগ হ্রাস পাওয়া, আগ্রহ হ্রাস পাওয়া ও অমূলক ভীতি এবং কারণ হলো পারিপার্শ্বিকতার সাথে খাপখাওয়ানো সংক্রান্ত মানসিক চাপ।

 

এংজাইটি নিউরোসিস এর কারণ

১. খুব কম মানসিক চাপ সহ্য করতে পারেন এমন মানসিকতা।

২. ক্রমাগত মানসিক চাপ।

৩. জীবনে অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে যাওয়া যা রোগী মানিয়ে নিতে পারে না; যেমন-ঘণিষ্টজনকে হারানো।

৪. কোন দুর্ঘটনার মুখোমুখি হওয়া যেমন রোড-ট্রাফিক এক্সিডেন্ট, মারাত্নক বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

৫. যৌণক্রিয়া সম্পর্কিত সমস্যা।

 

এংজাইটি নিউরোসিস এর ক্লিনিক্যাল ফিচার মা

নসিক

১. অযথা উদ্বেগ বা আশংকা

২. অমূলক ভীতি

৩. অল্পতেই বিরক্ত হওয়া।

৪. মনোযোগ হ্রাস পাওয়ার

৫. আগ্রহ হ্রাস পাওয়া।

 

শারীরিক

১. হাত-পা কাঁপা

২. অতিরিক্ত ঘাম হওয়া

৩. বুক ধরফর করা

৪. বুকে ব্যথা অনুভব করা

৫. শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া

৬. মাথাব্যথা।

৭. তন্দ্রালুতা

৮. ডায়রিয়া

৯. বার বার প্রস্রাব হওয়া

১০. ঘুম না হওয়া।

 

এংজাইটি নিউরোসিসের লক্ষণ দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *