স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ, হাড় ও সন্ধি রোগ

চলনতন্ত্রের রোগে ব্যবহৃত ঔষধ ও সকল পদ্ধতির ডাক্তারদের বক্তব্য।

চলনতন্ত্রের রোগে ব্যবহৃত ঔষধ

মাসকুলোস্কেলেটাল ডিজরডারে ব্যবহৃত ঔষধ সমূহকে নিম্নরূপে শ্রেনিবদ্ধ করা যেতে পারে

 

ক) ইনফ্লামেশন ও বেদনায় ব্যবহৃত ঔষধ: বোন ও জয়েন্ট এর ইনফ্লামেশন একটি বেদনাদায়ক অবস্থা। বেদনা ও ইনফ্লামেশন হ্রাসের জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ব্যবহৃত হয়। যেমন

এনালজেসিক; যেমন- এনসেইড

কর্টিকোস্টেরয়েড: মূলত রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস নামক রোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । যেমন- বিটামিথাসন, প্রেডনিসোলন, মিথাইল প্রেডনিসোলন, ট্রায়ামসিনোলোন ইত্যাদি।

 

খ) সাপ্লিমেন্টারী ড্রাগ : সাপ্লিমেন্টারী ড্রাগ বলতে খাদ্যের পরিপূরক ঔষধ বোঝায়। বোন ও জয়েন্টের রোগে কিছু সাপ্লিমেন্টারী ড্রাগ ব্যবহার করা হয়। এই ঔষধ সমূহ বোন ও কার্টিলেজ তৈরিকে উদ্দিপিত করে এবং বেদনাও হ্রাস করতে পারে। প্রস্তুতির উপর ভিত্তি করে নিম্নরূপে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে-

হরমোন: যেমন- এনাবলিক স্টেরয়েড

ভিটামিন: যেমন- ভিটামিন ডি

মিনারেল প্রস্তুতি; যেমন – ক্যালসিয়াম

অন্যান্য প্রস্তুতি; যেমন- ইপ্রিফ্লাভন (বোন ধ্বংসও প্রতিরোধ করে)

কার্টিলেজ সৃষ্টি উদ্দিপক: যেমন- গ্লুকোসেমাইড, কন্ড্রোইটিন ।

 

গ) বোন ধ্বংস প্রতিহতকারী : এই ঔষধগুলো বোন টিস্যু ধ্বংস হওয়া রোধ করে। নিম্নরূপে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে-

হরমোন: যেমন- ক্যালসিটোনিন, টেরিপ্যারাটাইড, এস্ট্রোজেন ও এইচ.আর.টি প্রস্তুতি।

মিনারেল: যেমন- ক্যালসিয়াম

বাইফসফোনেটস: যেমন- এলেড্রনেট সোডিয়াম, ডিসোডিয়াম, বানড্রনিক এসিড, রিসেড্রনেট, সোডিয়াম ক্লোড্রোনেট, টিলুড্রোনিক এসিড, জোলেড্রোনিক এসিড ইত্যাদি।

অন্যান্য প্রস্তুতি: যেমন- ইপ্রিফ্লাভিন, র্যালাক্সিফেন, স্ট্রনশিয়াম র্যানিলেট।

 

ঘ) ডিজিজ মোডিফাইং এন্টি রিউমেটিক ঔষধ: ডিজিজ মোডিফাইং এন্টিরিউমেটিক ড্রাগ সমূহ রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস এর চিকিৎসার জন্য তৈরি। যেমন সালফাসালাজাইন, মিথোট্রাক্সেট, সোডিয়াম অরোথিওম্যালেট, পেনিসিলামাইন, সাইক্লোস্পোরিন, লেফুনোমাইড ইত্যাদি।

 

ঙ) গাউট এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ : গাউট হলো বেদনাদায়ক রিউমেটিক ইনফ্লামেটরি অবস্থা যার কারন জয়েন্টে ইউরিক এসিড ক্রিস্টাল জমা হওয়া। এ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ঔসধসমূহকে নিম্নরূপে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে

প্রাথমিক আক্রমনের ঔষধ যেমন

০ এনসেইড; যেমন- ইনডোমিথাসিন

০ কলসিনিন।

মাধ্যমিক অবস্থার চিকিৎসার জন্য; যেমন- এলুপিউরিনল, ফেবুক্সোস্ট্যাট, সালফিন পাইরাজোন ইত্যাদি।

 

চ) নিউরোমাসকুলার ডিজরডারে ব্যবহৃত ঔষধ: নিউরোমাসকুলার ডিজরডার বলতে এমন প্যাথলজিক্যাল অবস্থাকে নির্দেশ করে যখন মাসলের সাথে সম্পর্কিত নার্ভ এর ত্রুটির কারনে ঐচ্ছিক মাসলের ক্রিয়া বৈকল্য দেখা দেয়। নিউরোমাসকুলার ট্রান্সমিশন বৃদ্ধিকারী। যেমন- নিওস্টিগমাইন, পাইরিডসটিগমাইন, সাইক্লোবেনজাপ্রাইন, ডায়াজেপাম, টিজানিডিন, টলপেরিসন, বেক্লোফেন ইত্যাদি

ছ) এন্টি মাইক্রোবিয়াল ড্রাগ; যেমন- এন্টিবায়োটিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *