চর্ম ও যৌন রোগ, স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ

ভিটিলিগো বা শ্বেতি রোগ

 

ভিটিলিগো বা শ্বেতি রোগ

ত্বকের মেলানিন সৃষ্টিকারী সেল (কোষ)-এর ক্রিয়া হ্রাস পেলে আক্রান্ত স্থান সাদা বিবর্ণ হয়ে যায়। এই অবস্থাকে শ্বেতি (ভিটিলিগো) বলা হয়। এ ক্ষেত্রে মেলানোসাইন সম্পূর্ণ ধ্বংস হতে পারে এর ক্রিয়া বৈকল্যও ঘটতে পারে। মেলানোসাইট ত্বক, চুল ও চোখের বর্ণ নির্ধারণ করে বিধায় শ্বেতি রোগে চুল ও চোখ ও আক্রান্ত হতে পারে।

 

শ্বেতি রোগের কারণ

এই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নলিখিত কারণ সমূহকে চিহ্নিত করা হয়েছে-

বংশগত কারণ।

অটোইমিউন অবস্থা ( রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিশেষ ধরণের ক্রটি যেখানে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দেহের নিজস্ব সেলকেই ধ্বংস করতে চায়)।

প্রসাধনী সামগ্রীতে (ক্রিম বিশেষত রং ফর্সাকারী ক্রিম, পাউডার, হেয়ার ডাই, শ্যাম্পু) ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ।

অন্যান্য ভাবে রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ; যেমন- ঘড়ি, গহনা ইত্যাদি।

স্টেরয়েড ক্রিম (যেমন- বিটামিথাসনযুক্ত ক্রিম) ।

 

শ্বেতি রোগের লক্ষণ

শ্বেতি রোগের সাধারণ লক্ষণ

ত্বকের বিভিন্ন স্থানে সাদা দাগ পড়া।।

অল্প বয়সে চুল, চোখের পাপড়ি, ভ্র, দাড়ি-গোঁফ সাদা বা ধূসর হয়ে যাওয়া।

চোখের ভেতরের অংশ বিবর্ণ হওয়া।

 

চিকিৎসা

এই রোগের ক্ষেত্রে যত দ্রুত চিকিৎসা নেয়া যায় আরোগ্যের সম্ভাবনা তত বেশি হয়। সাধারণত নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা নিলে ৫০-৭৫ শতাংশ রোগী ভাল হয়। এই চিকিৎসা সময়সাপেক্ষ। সাধারণভাবে ৬-১৮ মাসের চিকিৎসায় ফলাফল পাওয়া যায়। ফলাফল পাওয়া গেলে প্রয়োজনে আরো দীর্ঘ দিন চিকিৎসা গ্রহন করতে হবে।

 

চিকিৎসার জন্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মত চিকিৎসা নিতে হবে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *