এনাটমি ও ফিজিওলজি, স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ

পুরুষ প্রজননতন্ত্র

পুরুষ প্রজননতন্ত্রের রোগ

পুরুষ প্রজননতন্ত্রের

পুরুষদের ক্ষেত্রে যে সকল অঙ্গ প্রজনন ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাদের মেল রিপ্রোডাকটিভ অরগান (Male reproductive organ) বা পুরুষ প্রজনন অঙ্গ নামে অভিহিত করা হয়। এবং এই অঙ্গ সমুহ সম্মিলিত ভাবে পুরুষ প্রজনন তন্ত্র গঠন করে।

পুরুষের প্রজনন ক্রিয়া

পুরুষের প্রজননক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে

  • হরমোন নিঃসরনের মাধ্যমে পুরুষের জনন কার্য নিয়ন্ত্রন।

স্পার্মাপোজেনেসিস ( শুক্রানু তৈরির প্রক্রিয়া)

যৌন ক্রিয়া সম্পাদন

 

পুরুষ প্রজননতন্ত্রের অঙ্গসমূহ

বাহ্যিক

১. পেনিস বা শিশ্ন

২. ফ্লোটাম বা অন্ডথলি

আভ্যন্তরিন।

১. টেস্টিস

২. এপিডিডাইমিস

৩. ভাস ডিফারেন্স

৪. সেমিনাল ভেসিকল

৫. ইজাকুলেটরি ডাক্ট

৬. প্রোস্টেট

৭. বাল্বে-ইউরেথ্রাল গ্ল্যান্ড

 

উল্লেখিত অঙ্গ সমূহের মধ্যে টেস্টিট প্রায়মারী সেক্স অরগান বা প্রাথমিক জননাঙ্গ এবং অন্যান্য গুলি সেকন্ডারি বা একেক্সসরি বা আনুসাঙ্গিক।

 

 

স্ক্রোটাম বা অণ্ডথলি

স্ক্রোটাম (scrotum) বা অন্ডথলি হলো একটি কিউটেনিয়াস (ত্বক দ্বারা সৃষ্ট) থলে যেখানে ডান ও বাম টেস্টিস (অন্ডকোষ), এপিডিডাইমিস ও স্পার্মাটিক কর্ডের নিচের অংশ অবস্থান করে। স্ক্রোটাম পেরিয়ামে অবস্থান করে।

 

 

বাহ্যিকভাবে এটি একটি উন্নত রেখা দ্বারা দুই ভাবে বিভক্ত। বামদিকের অংশ ডান। দিকের চেয়ে কিছুটা নিচে অবস্থান করে কারণ বামপার্শ্বীয় স্পার্মাটিক কর্ড কিছুটা দীর্ঘ।

এটি পাঁচটি স্তর বিশিষ্ট:

ক) স্কিন বা ত্বক

(খ) ডারটস মাসল।

(গ) এক্সটার্নাল স্পার্মাটিক ফাসা

(ঘ) ক্রিমাস্টারিক ফাসা

(ঙ) ইন্টার্নাল স্পার্মাটিক ফাসাল

 

শীতল পরিবেশে স্ক্রোটাম সংকুচিত ও ভাজ বিশিষ্ট হয়ে টেসটিসের সাথে সংলগ্ন হয়ে যায়। উষ্ণতার সংস্পর্শে স্ক্রোটাম দীর্ঘ ও থলথলে হয়ে যায়। সাবকিউটেনিয়াস মাসলের কন্ট্রাকশনের (সংকোচনের) ফলে এ ঘটনা ঘটে। স্ক্রোটামের স্কিন (ত্বক) পাতলা, পিগমেন্টেড (রঞ্জিত) এবং প্রায়ই ভঁজ বিশিষ্ট হয়। এটি হালকা লোম যুক্ত যার ললামকুপ বাইরে থেকে দৃশ্যমান হয়।

 

স্ক্রোটাম টেস্টিসকে ঢেকে রাখে, টেস্টিসকে রক্ষা করে, টেস্টিসের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে।

 

পেনিস

পেনিস (penis) বা শিশ্ন হলো পুরুষ সঙ্গম অঙ্গ যা পেরিনিয়াল অঞ্চলে অবস্থিত। এটি ইউরেথ্রার মাধ্যমে মূত্র নিস্কাশনের পথও তৈরি করে।

 

অবস্থান

এটি পেরিনিয়াল অঞ্চলে ঠিক স্ক্রোটাম বা অন্ডথলির উপরে অবস্থিত।

 

বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য

আকার ও আকৃতি: পেনিস দুই অবস্থায় থাকতে পারে। সাধারণভাবে থলথলে ও যৌণ উত্তেজনার উপস্থিতিতে উত্থিত অবস্থা। পেনিসের আকার বেশকিছু জৈব প্রভাবকযেমন; গোত্র, উচ্চতা, বংশগতি, বয়স ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।

কিছু যৌনবিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুসারে আদর্শ উখিত পেনিসের আকার হলো, দৈর্ঘে। ৫.১ থেকে ৫,৮ ইঞ্চি এবং বেড় ৩.৫ থেকে ৩.৯ ইঞ্চি।

 

তবে আকারে ক্ষুদ্র ও দেখা যায় তবে তা সর্বদা অস্বাভাবিক নয়। সঠিক কৌশল অবলম্বন করলে একজন মাইক্রোপেনিস (আকারে ক্ষুদ্র পেনিস) ধারী ব্যক্তিও সফল যৌণজীবন অতিবাহিত করতে পারেন।

 

 

পেনিসের নিম্নলিখিত অংশ রয়েছে।

০ রুট বা মূল: রুট বা মূল (রেডিক্স পেনিস) দুইপাশে বিভক্ত করা ও | মধ্যখানে মিডিয়ান ইউরেথ্রাল বাল্ব দ্বারা গঠিত।

০ বডি বা দেহ: বডি (করপাস পেনিস) তিনটি নলাকার ইরেকটাইল টিস্যু গুচ্ছ দ্বারা গঠিত; এক জোড়া করপোরা ক্যাভেরনোসা ও মধ্যভাগে একটি করপাস স্পঞ্জিওসাম। ইরেকটাইল (উত্থানক্ষম) টিস্যু রক্তচলাচলের ফাঁকা স্থান বহন করে। পেনিস বা শিশ্ন উখিত হলে এ ফাঁকা স্থান আর্টারীয়াল ব্লাড দ্বারা পরিপূর্ণ হয়। এক্সট্রিমিটি: এক্সট্রিমিটি গ্ল্যান্স পেনিস দ্বারা গঠিত। গ্ল্যান্স পেনিস করপাস ক্যাভারনোসামের সম্মুখ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। পেনিসের স্কিন (ত্বক) গ্ল্যান্স পেনিসের বাইরে একটি ভাজ হিসেবে বিবর্ধিত। এই ভজ টিকে প্রিপিউস বা ফোরস্কিন নামে অভিহিত করা হয়। এর বাইরের দিকে একটি ভঁজ থাকে। একে প্রিপিউসের ফ্রেনুলাম বলা হয়।

 

 

পেনিসের ইরেকশন বা উত্থান

যৌণ উত্তেজনার (স্পর্শ, দর্শন, শ্রবণ বা মানসিক ) উপস্থিতিতে পেনিসের আর্টারীসমূহ প্রসারিত হয় এবং ইরেকটাইল টিস্যুর মাঝে রক্ত প্রবেশ করতে থাকে। ফলে ইরেকটাইল টিস্যু সমূহ দীর্ঘাকার ও প্রসস্ত হতে থাকে এবং অস্থায়ীভাবে এর ভেনাস ডেনেজের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এভাবে পেনিস দীর্ঘ, প্রসস্ত ও দৃঢ় হয়। এ অবস্থাকে পেনিসের ইরেকশন (উত্থান) বলা হয়।

 

গ্ল্যান্স পেনিসের ঘর্ষণ ইজাকুলেশনের (বীর্যপাত) উদ্দিপনা সৃষ্টি করে। ইজাকুলেশনের পর বা উদ্দিপনা শেষ হওয়ার পর আর্টারীর রক্ত প্রবাহ কমতে থাকে এবং এর ভেইনের প্রতিবন্ধকতা রহিত হতে থাকে ফলে রক্ত সমূহ এর ভেইন দ্বারা নিস্কাশিত হতে থাকে। এভাবে পেনিস থলথলে অবস্থায় ফিরে আসে।

 

টেস্টিস বা অন্ডকোষ

টেস্টিস (testis) হলো পুরুষের প্রায়মারী সেক্স অরগান (প্রাথমিক জননাঙ্গ) যা স্ক্রোটামে অভ্যন্তরে পেরিনিয়াম অঞ্চলে অবস্থান করে।

স্ক্রোটামের অভ্যন্তরে পেরিনিয়াম অঞ্চলে। এটি স্ক্রোটামের অভ্যন্তরে স্পার্মাটিক কর্ড দ্বারা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। বাম টেস্টিস ডান টেস্টিসের চেয়ে সেমি নিচে অবস্থান। করে।

 

টেস্টিসের আকৃতি- ডিম্বাকার ; আকার : দৈর্ঘ্য- ৩.৭৫ সেমি, প্রস্থ- ২.৫ সেমি, পুরুত্ব: ৩ সেমি, ওজন – ১০-১৫ গ্রাম। তিনটি স্তর আবরন দ্বারা আবৃত।

১. টিউনিকা ভ্যাজাইনালিস : এর দুটি উপস্তর রয়েছে-প্যারাইটাল ও ভিসেরাল

২. টিউনিকা এলবুজিনা: এটি অবিস্তৃত ফাইব্রাস কোট (তন্তুময় আবরণ)

৩. টিউনিকা ভাসকুলোসা: এটি রক্তনালী দ্বারা গঠিত।

 

আভ্যন্তরিনভাবে টেস্টিস ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ ও নালীকা দ্বারা তৈরি। এতে সাধারণত দুই ধরনের সেল রয়েছে। সেমিনিফেরাস টিবিউলের অভ্যন্তরে স্পার্মাটোজোয়ার বিভিন্ন পর্যায় থাকে। আবার সেমিনিফেরাস টিবিউলের পাশে লিডিগ সেল থাকে যা হরমোন তৈরি করে।

 

টেস্টিসের কাজ স্পার্মাটাজোয়া বা শুক্রানু তৈরি ও টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরি করা (লিডিগ কোষ দ্বারা)।

 

পুরুষ প্রজনন হরমোন পুরুষের প্রজননের জন্য যে হরমোন সমূহ প্রয়োজন।

 

টেস্টোস্টেরন হরমোনের কাজ 

১. আনুসাঙ্গিক জনন অঙ্গের বৃদ্ধি।

২. মাধ্যমিক (সেকন্ডারী) যৌন বৈশিষ্ট্য বিকাশ।

৩. স্পার্মাটোজেনেসিসে ভূমিকা পালন।

৪. বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি।

৫. অস্থি ও পেশী বৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন।

 

স্পার্মাটোজেনেসিস (spermatogenesis)

শুক্রানুর বৃদ্ধি ও বিকাশের প্রক্রিয়াকে স্পার্মাটোজেনেসিস বলে। এটি টেস্টিসের অভ্যন্তরে সেমিনিফেরাস টিবিউলে ঘটে থাকে।

 

এপিডিডাইমিস

এপিডিডাইমিস (epididymis) হলো একটি কমা আকৃতির অঙ্গ যা টেস্টিসের পার্শ্বদেশে পশ্চাৎ সীমা বরাবর অবস্থান করে। এটি স্পার্মাটোসাইটের অস্থায়ী আধার হিসেবে কাজ করে। ইজাকুলেশনের (বীর্যপাত) সময় এপিডিডাইমিস সংকুচিত হয় এবং স্পার্মাটোসাইট ভাস ডিফারেন্সে এবং অবশেষে ইউরেথ্রায় প্রবেশ করে।

 

ভাসডিফারেন্স বা ডাক্টাল ডিফারেন্স

ভাস ডিফারেন্স (vas deference) বা ডাক্টাস ডিফারেন্স হলো একটি পুরু দেয়াল বিশিষ্ট মাসকুলার টিউব (পেশি দ্বারা গঠিত নল) যা স্পার্মাটোজোয়াকে এপিডিডাইমিস হলে ইজাকুলেটরি ডাক্ট পর্যন্ত বহন করে নিয়ে যায়।

 

এটি শুরুর পর পর ই স্ক্রোটামে অবস্থান করে এরপর স্পার্মাটিক কর্ড হিসেবে ইনগুইনাল ক্যানেলে এরপর পেলভিক ক্যাভিটিতে। এর বিস্তার এপিডিডাইমিস হতে ইজাকুলেটরি ডাক্ট পর্যন্ত। দৈর্ঘ্য: ৪৫ সেমি ।

 

স্পার্মাটিক কর্ড

এটি একটি কোমল, গোলামাকার কর্ড (রঞ্জু বিশেষ) যা ডীপ ইনগুইনাল রিং হতে টেস্টিসের পোস্টেরিয়র বর্ডারের (পশ্চাৎ সীমার) উৰ্দ্ধ অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি প্রায় ৭.৫ সেমি দীর্ঘ। এর প্রধান কাজ হলো ভাস ডিফারেন্সকে রক্ষা করা। প্রধানত টেস্টিস ও ভাস ডিফারেন্সের সম্পর্কিত রক্তনালী, লিম্ফেটিক ও নার্ভ সমূহ স্পার্মাটিক কর্ডের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করে।

 

সেমিনাল ভেসিকল 

সেমিনাল ভেসিকল (Seminal vesicle) একটি লোবিউলেটেড (লোবিউল বিশিষ্ট) থলে আকৃতির পুরুষ প্রজনন অঙ্গ যা রেকটাম ও ইউরিনারী ব্লাডারে মধ্যস্থলে অবস্থান করে এবং সিমেন-এর পরিমান বৃদ্ধিতে ক্ষরণ করে। এটি পেলভিসে অবস্থান করে। এটি হাইপোগ্যাস্ট্রিক অঞ্চলে অবস্থান করে।

 

এটি প্রায় ৫ সেমি দীর্ঘ এবং প্রস্থে ২-৩ সেমি। এটি একটি একক নালীকার প্যাচাননা অবস্থা ও বেশ কিছু ডায়ভার্টিকুলা (দ্বারাযুক্ত প্রবেশ পথ) দ্বারা সৃষ্ট।

এটি সেমিনাল ফ্লুইডের বৃহৎ অংশ ক্ষরণ করে। এর স্মরণে ফুক্টোজ রয়েছে যা স্পার্মাটোজোয়াকে পুষ্টি প্রদান করে।

 

ইজাকুলেটরি ডাক্ট

ইজাকুলেটরি ডাক্ট (ejaculatory duct) হলো একটি নলাকার পুরুষ প্রজনন অংগ যা উত্তেজনার সময় ইউরেথ্রাতে (মুত্রনালীতে) শুক্রানু ও বীর্যরস পৌঁছায়।

 

এটি পেলভিসে প্রোপ্রোষ্টেট এর পেছনে অবস্থান করে। হাইপোগ্যাস্ট্রিক অঞ্চলে অবস্থান করে।

 

এটি সংখ্যায় এক জোড়া (ডান ও বাম)। ইজাকুলেটরি ডাক্ট সেমিনাল ভেসিকেল ও ভাস ডিফারেন্স এর মিলনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়ে মুত্রনালীতে উন্মুক্ত হয়। এর দৈর্ঘ্য ২ সেমি। এটি এম্পুলা অব ভাস থেকে প্রোপ্রোস্টেটিক ইউট্ৰিকলের নিকটে অবস্থিত মুত্রনালীর রন্ধ্র পর্যন্ত।

 

প্রোস্টেট

প্রোস্টেট (prostate) হলো কনকাকতি পুরুষের আনুসাঙ্গিক জনন অংগ যা পুরুষ ইউথ্রোর নিকটবর্তি অংশকে পরিবেষ্টিত করে রাখে। ইহা লেজার পেলভিসে ইউরিনারী: ব্লাডারের নেক-এর নিচে অবস্থান করে। এটি। হাইপোগ্যাস্ট্রিক অঞ্চলে অবস্থিত।

এটি দেখতে উল্টোকৃতি কোণের মত। এর ভিত্তি (আড়াআড়ি) – ৪ সেমি, উলম্ব- ৩ সেমি, ওজন- ৮ গ্রাম ।

 

প্রোস্টেটিক ইুউরেথ্রা প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডকে উলম্বভাবে অতিক্রম করে। মিডল ললাবের প্রোস্টেটিক ইভটিকলের মাধ্যমে প্রোপ্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ক্ষরণ সমূহ ইউরেথ্রাতে পতিত হয়। ইজাকুলেটরি ডাক্ট নিম্নদিক ও সম্মুখ দিকে অগ্রসর হয়ে ইউট্ৰিকলের দুই পাশে প্রোপ্রোস্টেটিক ইউরেথ্রাতে উন্মুক্ত হয়। ইহা একটি ফাইব্রোমাসকুলার গ্রন্থি। এর গ্রন্থি এসিনার ধরনের।

 

প্রোপ্রোস্টেট-এর ক্ষরণ সিমেনের পরিমান বৃদ্ধি করে। প্রোপ্রোস্টেটিক ক্ষরনের উপাদান সমূহ স্পার্মাটোজোয়ার জন্য অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করে।

 

বাল্লোইউরেথ্রাল গ্রান্ড

বাল্বো-ইউরেথ্রাল (bulbourethral) গ্ল্যান্ড হলো একজোড়া ক্ষুদ্র, গোলাকার বাদামী বর্ণের অঙ্গ যা ইউরেথ্রার মেমব্রেনাস অংশের পিছনে ও পার্শ্ব দিকে অবস্থিত। প্রতিটি গ্ল্যান্ড-এর বেড় প্রায় ১ সেমি। এদের কাউপারস গ্ল্যান্ড নামেও অভিহিত করা হয়।

গ্ল্যান্ড সমূহ স্পঞ্জি ইউরেথ্রার ইন্টার বার ফোসায় অবস্থিত। এই গ্ল্যান্ড-এর ডাক্ট প্রায় ২.৫ সেমি দীর্ঘ।

এটি সিমেনের পরিমান বৃদ্ধির জন্য ক্ষরণ করে। একটি যৌণ উত্তেজনা প্রাপ্ত হলে গ্ল্যান্ডদুটি আঠালো পিচ্ছিল পদার্থ নিঃসরণ করে। এভাবে সঙ্গমক্রিয়ার সাহায্য করে। (সঙ্গমপথকে পিচ্ছিল রাখে)।

 

সিমেন বা বীর্য

সিমেন (semen) বা বীর্য সেমিনাল ভেসিকল , টেসটিস , প্রোপ্রোষ্টেট এবং বালবো – ইউরেথ্রার গ্ল্যান্ড- এর ক্ষরনের সমন্বয়ে গঠিত তরল যা পুরুষের যৌন উত্তেজনার সময় মূত্রনালী মধ্যে দিয়ে নির্গত হয়।

 

গাঠনিক উপাদান সমুহ-

১. স্পার্মাটোজোয়া বা শুক্রানু

২. অন্যান্য

সেমিনাল ভেসিকল থেকে: ফুকটোজ, ফসফোরাইল কোলাইন,এরগোথিওনিন, এসকরবিকএসিড, ফ্লাভিন, প্রোপ্রোষ্টাগ্লান্ডিন।

প্রোপ্রোস্টেট থেকে: স্পর্মিন, সাইট্রিক এসিড, কোলেষ্টেরল, ফিব্রিনোলাইসিন, জিংক, এসিড ফসফেট, বাফার, হায়ালুরনিডেজ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *