চক্ষু রোগ, স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্লগ

চালাজিওন চিকিৎসা ও সকল পদ্ধতির ডাক্তারদের বক্তব্য।

চালাজিওন

চালাজিওন (chalazion) হলো চোখের মেবোমিয়ান গ্ল্যান্ড এর ইনফ্লামেশন ও লিপোগ্র্যানুলোমা (চর্বি দানা সঞ্চিত হওয়া)। অনেক ক্ষেত্রেই একে স্টাই বা আনজনি বলে ভুল হতে পারে। এর সুনির্দিষ্ট কারণ নেই। তবে তরুন বয়সে ও ডায়বেটিস আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এটি বেশি হতে দেখা যায়। চালাজিওন চিকিৎসা  এবং বিস্তারিত জানতে পুরোটা পড়ুন।

চালাজিওনের  লক্ষণ

১। এ রোগে চোখের পাতায় ভেতরের দিকে গুটির মতো কিছু পিন্ড থাকার অনুভুতি (সচরাচরভাবে উপরের পাতা) হয় ;

২। চোখে অস্বস্তি হয় ;

৩। সাধারনত কোন বেদনা থাকে (তবে গুটি আকারে বড় হলে বেদনা থাকতে পারে) ;

৪। ক্ষত স্থানের নিকটবর্তী টারসাল কনজাংকটিভা লালচে বা গোলাপী দেখায় ;

৫। আর একটি বিশেষ লক্ষণ হল,  আলোর প্রতি সংবেদনশীল, উজ্জ্বল আলোতে অস্বস্তি বোধ করবেন।

 

চালাজিওন চিকিৎসা

যদি বেদনা থাকে তবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। সাধারণ ব্যবস্থাপনা।

১। আক্রান্ত চোখে হাত দেয়া যাবে না ;

২। যে চোখে সমস্যা সে দিকে কাত হয়ে শুয়ে থাকতে হবে ;

৩। চোখে প্রতিরোধক চশমা পরিধান করতে হবে।

 

চালাজিওন চিকিৎসা তে ব্যবহৃত ঔষধ

১) এন্টিহিস্টামিন

জেনেরিক: ফেক্সোফেনাডিন (fexofenadin) ব্রান্ড: ফেনাডিন (fenadin), প্রস্তুতকারক: রেনাটা ডোজ: ০ প্রাপ্ত বয়স্ক (১২ বছরের ঊর্ধে): ৬০-১৮০ মিগ্রা দৈনিক। ০ শিশু- ২ বছর থেকে ১১ বছর : ৩০ মিগ্রা দিনে ১-২ বার।

২) আই ড্রপ

জেনেরিক: ক্লোরামফেনিকল (chloramphenicol) ব্র্যান্ড-ক্লোরাম (Cloram-0.5%) প্রস্তুতকারক: ইবনেসিনা।। ডোজ: ১-২ ফোঁটা প্রতি চোখে দিনে তিন বার।

৩) এনালজেসিক

ক) প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে

জেনেরিক: প্যারাসিটামল ফাস্ট রিলিজ

ব্র্যান্ড: নাপা র‍্যাপিড (NAPA RAPID) প্রস্তুতকারক:

বেক্সিমকো ॥ ডোজ: ১ টি ট্যবলেট ৬ ঘন্টা পর পর কিছু খাবার পর।

ক্যালাজিওন এর চিকিৎসা সার্জিক্যাল। ইনফেকশন সেরে গেলে তারপর সার্জিক্যাল চিকিৎসা করাতে হবে। তাই রোগীকে অবশ্যই চক্ষু বিশেষজ্ঞের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

চালাজিওন চিকিৎসা এর জন্য অনলাইনে আমাদের অবিজ্ঞ দাক্তারদের থেকে পরামর্শ নেয়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন  এপয়েন্টমেন্ট 

[videogallery id=”chalazion-alo”]

[videogallery id=”chalazion-homeo”]

[videogallery id=”chalazion-harbal”]

 

চালাজিওন এর ঘরোয়া প্রতিকার 

১। চোখের পাতা মোছার সময় অবশ্যই পরিষ্কার কাপড় বা সুতির সোয়াব দিয়ে আলতো করে মুছতে হবে। 

২। চোখ চেপে ধরার চেষ্টা করবেন না । 

৩। আপনার মুখ, মাথার ত্বক, ভ্রু এবং হাত যথা সম্ভব পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করবেন। 

৪। চোখে মেকআপের ব্যবহার সীমিত ভাবে করবেন । 

৫। পরিস্থিতি বেশি খারাপ অনুভব করলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *